দুষ্কৃতী তাণ্ডবে উত্তপ্ত রাজধানীর বর্ডার গোল চক্কর এলাকা। রবিবার সন্ধ্যা থেকে এলাকায় দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়।দোকানপাট ভাঙচুর করা হয় ।পরে পশ্চিম জেলার পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি আয়ত্বে আনে। রাতে বর্ডার গোল চক্কর এলাকায় নামানো হয় পুলিশের রেপিড অ্যাকশন ফোর্স।
গত বেশ কয়েকদিন ধরে বর্ডার গোল চক্কর এলাকায় উত্তেজনা জারি ছিল। মূলত তীর্থ দাস নামে এক সমাজদ্রোহীর উস্কানিতেই এই উত্তেজনার পারদ চড়ছিল বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ ।গুণধর তীর্থের বিরুদ্ধে শনিবার সন্ধ্যা রাতে পশ্চিম থানায় এলাকাবাসী লিখিত অভিযোগ জানান। এরপর আরো ক্ষেপে যায় তীর্থ ও তার দল ।রবিবার সন্ধ্যা রাতে তার দল থানায় অভিযোগকারী লোকজনদের চিহ্নিত করতে শুরু করে ।এক সময় তারা একটি দোকানে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় ।দুষ্কৃতীদের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় একটি স্কুটি এবং একটি বাইক। এই সময় ইফরান খান নামে কলেজ পড়ুয়া এক যুবক এক দোকানের সামনে দাঁড়িয়েছিলেন। তীর্থ এবং আরো চারজন এসে তাকে কলারের ধরে বাইকে করে তাদের ডেড়ায় নিয়ে যায়। সেখানে ইফরানকে মারধর করে বলে অভিযোগ ।ইফরান জানান ,তাকে চেকপোষ্টের সামনে একটি ডলার ভাঙ্গানোর দোকানে নিয়ে যাওয়া হয় ।সেখানে 15 থেকে 16 জন যুবক ছিল ।
কলেজ ছাত্রের উপর তীর্থ ও তার দলের লোকদের আক্রমণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্ডার গোল চক্কর এলাকায় উত্তেজনার পারদ আরো চড়তে শুরু করে। এলাকাবাসী এই ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে ঐক্যবদ্ধ হতে শুরু করেন ।পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় পশ্চিম জেলার পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী। রবিবার রাতে বর্ডার গোল চক্কর এলাকায় পশ্চিম জেলার পুলিশ সুপার নমিত পাঠক জানান ,পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
এদিকে রবিবার গভীর রাতে বর্ডার গোলচক্কর এলাকায় ুলিশের repied action force বা র্যাফ নামানো হয়। র্যাফ পুলিশ এবং টিএসআর বাহিনী নিয়ে গোটা এলাকায় লংমার্চ করেন পশ্চিম জেলার পুলিশ সুপার নমিত পাঠক। সোমবার সকালেও বর্ডার গোলচক্কর এলাকায় পুলিশের টহলদারি জারি রয়েছে ।গোটা এলাকায় তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে।















Leave a Reply