মোবাইল হেলথ ক্লিনিকের পর এবার মোবাইল ডেন্টাল ক্লিনিক পরিষেবা চালু করল রামকৃষ্ণ মিশন আগরতলা। এদিন পতাকা নেড়ে রোটারি ক্লাব অফ আগরতলা সিটির অর্থানুকূল্যে এই মোবাইল ডেন্টাল ক্লিনিক সেন্টার এর সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডাক্তার মানিক সাহা। তিনি জানান রামকৃষ্ণ মিশনের বিবেক নগর স্কুলে ওয়াল্ড ল্যাঙ্গুয়েজ কোর্স চালু করা হবে।
ইতিমধ্যেই রাজ্যে মোবাইল হেলথ সেন্টার চালু করেছে রামকৃষ্ণ মিশন ।গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় রামকৃষ্ণ মিশন মোবাইল হেলথ ইউনিট চালু রেখেছে। এন এইচ এম এর অর্থানুকূল্যে রামকৃষ্ণ মিশনের এই উদ্যোগে রাজ্যের প্রত্যন্ত এলাকার জনগণ স্বাস্থ্যপরিসেবা পাচ্ছেন ।এবার মোবাইল ডেন্টাল ক্লিনিক চালু করল এই প্রতিষ্ঠানটি ।রোটারি ক্লাব অফ আগরতলা সিটির সহযোগিতা নিয়ে রামকৃষ্ণ মিশন কর্তৃপক্ষ এই পরিষেবা চালু করেছে ।সোমবার বিবেকনগরে রামকৃষ্ণ মিশনের সদর দপ্তরে পূজো দিয়ে পতাকা নেড়ে দিয়ে এই মোবাইল ডেন্টাল ক্লিনিক পরিষেবার আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডাক্তার মানিক সাহা ।এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রামকৃষ্ণ মিশনের বিভিন্ন সেবামূলক কর্মসূচি গুলির কথা তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন ,শেষ মাইল পর্যন্ত পরিষেবা পৌঁছে দিতে হবে ।সেখানকার মানুষগুলো অবহেলিত ।তাদের কাছে পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে ।রামকৃষ্ণ মিশন এদিন এই উদ্যোগ গ্রহণ করল ।রোটারি ক্লাব অফ আগরতলা সিটির ৬০ লক্ষ টাকা অর্থানুকূল্যে রামকৃষ্ণ মিশনের এই উদ্যোগ এখন প্রত্যন্ত এলাকায় গিয়ে জনগণকে পরিষেবা প্রদান করতে পারবে ।এই মোবাইল এম্বুলেন্সে চিকিৎসক, নার্স সহ ১০ জন স্বাস্থ্যকর্মী বসে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেতে পারবেন ।মুখ্যমন্ত্রী বলেন ,এই সিস্টেমকে যথাযথভাবে চালু রাখতে পারবে একমাত্র রামকৃষ্ণ মিশনই ।এই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী জানান ,রামকৃষ্ণ মিশনের বিবেক নগর স্কুলে একটি ফরেন ল্যাংগুয়েজ কোর্স চালু করা নিয়ে তিনি নিজে মিশনের সর্বভারতীয় অধ্যক্ষ স্বামী শুভ্রানন্দ মহারাজ কে বলেছিলেন এবং চিঠিও দিয়েছিলেন ।মিশন কর্তৃপক্ষ এর মান্যতা দিয়েছে। এর ফলে ইংরেজির পাশাপাশি বিভিন্ন বিদেশী ভাষাও এখন এই বিবেকনগর স্কুল থেকে অধ্যয়ন করা যাবে।
অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসা পরিষেবা কে সর্বস্তরে পৌঁছে দিতে উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার ।এই উদ্যোগকে সাফল্যমন্ডিত করে তুলতে স্বাস্থ্যকর্মীরা কাজ করে চলছেন ।তিনি জানান ,মহকুমা গলিতে চিকিৎসকরা অনেকটাই চাপে থাকেন ।বিশেষ করে রেফার নিয়ে তাদের মধ্যে একটা চাপ থাকে ।কিছু কিছু ক্ষেত্রে পার্টির চাপে অযথাই রোগীকে স্থানান্তরিত করে দিচ্ছেন চিকিৎসকরা ।এতে করে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের উৎসাহ নষ্ট হয়ে যায়।













Leave a Reply