বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বন্দে মাতরম সংগীত স্বাধীনতা সংগ্রামে মুক্তির মন্ত্র হিসেবে পরিগণিত হয়েছিল। শুক্রবার বন্দেমাতরম সংগীতের ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে মহাকরণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বললেন মুখ্য মন্ত্রী অধ্যাপক ডাক্তার মানিক সাহা।
দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারীকা পর্যন্ত যে মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে দেশবাসী আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন ,যে মন্ত্রে ধীর স্থির এই ভারতবর্ষে এক দুর্বার আন্দোলন গড়ে উঠেছিল,সেই বন্দেমাতরম সঙ্গীতের আজ দেড়শ বছর পূর্তি ।বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত এই সংগীতের দেড়শ বছর পূর্তি উপলক্ষে বছরভর কর্মসূচি উদযাপনের আয়োজন হাতে নেওয়া হয়েছে । এই কর্মসূচির কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠান শুক্রবার মহাকরণে অনুষ্ঠিত হয় ।এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডাক্তার মানিক সাহা ।এদিন ভারত মাতার পরতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করে এই অনুষ্ঠানের সূচনা করেন তিনি। অনুষ্ঠানে মহাকরণের কর্মীরা এক সুরে গেয়ে উঠেন বন্দেমাতরম সংগীত ।এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন ,১৮৭৫ সালের অক্ষয় নবমীর দিনে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এই সংগীত রচনা করেছিলেন। ১৮৯৬ সালে কলকাতায় কংগ্রেসের অধিবেশনে বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই গান গেয়ে শোনান ।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনে বন্দেমাতরম সংগীত বিপ্লবীদের লড়াইয়ের মন্ত্র জুগিয়েছিল ।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই সংগীতের ১৫০ বছর উদযাপন উপলক্ষে দেশব্যাপী বছর ভর অনুষ্ঠান উদযাপনের আহ্বান জানিয়েছেন ।প্রধানমন্ত্রী আহ্বানে সাড়া দিয়েই গোটা দেশে আজ থেকে এই বন্দেমাতরম সঙ্গীতের ১৫০ বছর পূর্তি উদযাপন অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে সারা দেশের সাথে রাজ্যেও আজ থেকে এক বছরব্যাপী বন্দেমাতরম সঙ্গীতের উদযাপন শুরু হয়েছে। চারটি পর্যায়ে এই অনুষ্ঠান চলবে।













Leave a Reply