জি এস টি সরলীকরণের ফলে পিঠে পুলির উপকরণ সামগ্রীর দাম কমলেও হাট বাজাগুলিতে মকর সংক্রান্তির বাজার নিম্নমুখী। এতে কপালে হাত পড়েছে ব্যবসায়ীদের।
রাত পোহালেই মকর সংক্রান্তি। ধনু রাশি থেকে মকর রাশিতে স্থানান্তরিত হবে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সব শক্তির উৎস সূর্য ।এই মকর সংক্রান্তি ত্রিপুরায় পৌষ সংক্রান্তি হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। পৌষ সংক্রান্তি মানেই বুড়ির ঘরের আগুনে শরীর গরম করে সাত সকাল থেকে পিঠে পুলি খাওয়া ।এই পিঠে পুলির জন্য বিভিন্ন সরঞ্জামের প্রয়োজন ।যেমন কদমা,খেজুরের গুড় ,তিল্লাই বাতাসা ,চালের গুড়া ,গুড় প্রবৃত্তি ।মকর সংক্রান্তির বাজারে পিঠেপুলির সরঞ্জাম নিয়ে বসেছেন ব্যবসায়ীরা। কিন্তু বাজারে ক্রেতার দেখা তেমন একটা নেই ।এদিন রাজধানীর বটতলা বাজারের এক ব্যবসায়ী জানান ,এবছর কদমা বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা কেজি দরে ।খেজুরের গুড় কেজি প্রতি আড়াইশো টাকা করে। তিল্লাই বাতাসা বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায় ।চালের গুড়া বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কিলো দরে ।সাধারণ গুড়ের দাম ৮০ টাকা কিলো ।তিনি জানান ,পিঠেপুলির সামগ্রীর দাম গত বছরের তুলনায় অনেকটাই কমেছে। কিন্তু বাজার ডাউন চলছে। বাজার কেন নিম্নমুখী ?-এই প্রশ্নের উত্তরে বটতলা বাজারের ব্যবসায়ী জানান ,এখন দিকে দিকে বাজার বসে গেছে ।এর উপর কিছু ব্যবসায়ী ডোর টু ডোর ঘুরে ঘুরে সামগ্রী বিক্রি করছে ।তাই বাজার মুখী মানুষের ঢল দেখা যাচ্ছে না। এই হাল হকিকত কিছুটা চিন্তায় ফেলেছে বলে জানান তিনি।
পিঠে পুলির উপকরণের ক্রয় মূল্য রাজধানীর সব কটি বাজারেই প্রায় এক ।আবার কেবল বটতলা বাজারেই নয়, মহারাজগঞ্জ বাজার ,লেক চৌমুহনী বাজার ,দুর্গা চৌমুহনী বাজার ,মঠ চৌমুহনী বাজার প্রভৃতি বাজারগুলোতেও ক্রেতা সাধারণের দেখা তেমন একটা নেই ।এদিকে গত বছরের মত এবারো বাজার গুলিতে রেডিমেড পিঠেপুলি প্যাকেট করে বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতা সাধারণের নজর সেই দিকেও রয়েছে। ছাদ আর সাধ্যের মধ্যে সামঞ্জস্য বজায় রেখে কিনছেন ক্রেতা সাধারণ।













Leave a Reply